আত্নকর্মসংস্থানে অনলাইন শপিং বিজনেস
বেকারত্ব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি অভিশাপ। যদিও আমাদের সমাজে স্ব-ইচ্ছায় কেহ বেকার থাকে না তবুও কর্মসংস্থানের অভাবে অনিচ্ছা স্বত্বেও অনেক মেধাবী ও পরিশ্রমী তরুন বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে বয়ে বেড়ায়। সুশিক্ষিত, মেধাবী ও পরিশ্রমী তরুন-তরুনীরা কখনও চাকুরীর জন্য সময় অপচয় করে না বরং নিজেরা কিছু করার চেষ্টা করে আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করে।
স্ব-কর্মসংস্থান বা আত্নকর্মসংস্থান হিসেবে আমরা পৃর্বে কিছু কাজের সাথে পরিচিত ছিলাম যেমনঃ হাঁস-মুরগী পালন বা পোল্টি ফার্ম, গরুর খামার, মাছের চাষ, কৃষি প্রজেক্ট, নার্সারি ইত্যাদি। এসব আত্নকর্মসংস্থানের বিষয়গুলো অনেক বেশি ইতিবাচক হলেও কোন কোন এসব শুরু করাও বেশ খানিকটা সমস্যাবহুল হয়ে থাকে যেমন- জমি/জায়গার সংকট বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এ ধরনের প্রজেক্ট বেশ ব্যয়সাধ্য। আবার অনেক সময় শিক্ষিত পরিবারের তরুন-তরুনীদের এসব কাজে পরিবার থেকে বাধা দেয়া হয়। যার দরুন শহরের লেখাপড়া শেষে বেশিরভাগ তরুন-তরুনীদের বেকার থাকতে হয়।
স্ব-কর্মসংস্থানের জন্য অনলাইন শপিং কনসেপ্ট বা ই-কমার্স বিজনেস অনেক জনপ্রিয় ও ফলপ্রসু. এর কিছু কারন রয়েছে যেমন-
১) স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসারম্ভ করা যায় অর্থাৎ নির্দিষ্ট পুঁজি প্রয়োজন হয় না
২) যে কোন স্থানে ও পরিসরে ব্যবসারম্ভ করা যায়
৩) নিজ নিজ যোগ্যতা ও দক্ষতার দ্বারা এগোনো যায়
৪) পার্টটাইম বা ফুলটাইম সময় দিয়ে করা যায়
৫) পরিবার ও বন্ধুদের সহযোগিতা নিয়ে করা যায়
৬) যে কোন সময় চাকুরী বা অন্য কোন ব্যবসার সুযোগ তৈরী হলে এটা পরিবারের অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যায়
৭) আবার পড়াশুনা ও চাকুরীর পাশাপাশিও অনলাইন শপিং ব্যবসা করা যায়
৮) বর্তমানে গ্রামে কিংবা শহরে যে কোন স্থানে এ ব্যবসা করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
মুলধন বা পুঁজির পরিমানঃ সাধারনত ১০-১৫ হাজার টাকা দিয়ে অনলাইন শপিং ব্যবসা শুরু করা যায় তবে এটা লাখো কিংবা কোটি টাকাও হতে পারে, তরুনরা শুরুতে অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করাই উত্তম।
কিভাবে শুরু করবেনঃ অনলাইন শপিং এর বিষয়টি এখন অনেকটা পুরোনো ধারণা হলেও এটি আত্নকর্মসংস্থানের অন্যতম একটি উপায়। আমরা দেখি অনেকেই ফেসবুক ভিত্তিক এফ-কমার্স এর মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে আবার পাশাপাশি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনেকে বিজনেস করে।
আমরা কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে অনলাইন শপিং কিভাবে শুরু করবেন তা ব্যাখ্যা করি-
১) প্রথমে কি কি পণ্য দিয়ে ব্যবসারম্ভ করতে চান তা বাছাই করুন
২) এবার যেসব পণ্য বিপণন করতে চান সেসব পণ্যের সোসিং বা উৎস খুঁজে বের করুন
৩) পন্যের মূল্য নির্ধারন করুন বাজার বিশ্লেষণ করে
৪) পণ্যগুলো কিভাবে অনলাইনে উপস্থাপন করবেন সিদ্ধান্ত নিন
৫) আপনার ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ডিজাইন তৈরী করে নিন
৬) এবার বিপণন করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার সহযোগিতা নিন অথবা বিজ্ঞাপন দিন
৭) পন্যের ষ্টক ম্যানেজমেন্ট, একাউন্ট এর জন্য নিজেই কম্পিউটারে হিসেব রাখুন
অনলাইন শপিং এর মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরুর জন্য আমাদের অনলাইন শপের সহযোগিতা নিতে পারেন। http://sellerhaat.com/


